1. admin@shaplahd.tv : AdYJkU :
  2. admin@facfltd.com : facfltd :
  3. kmnhosain@shaplahd.tv : KmnHosain :
  4. naqeetv@gmail.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  5. Sanaollah@naqee.tv : Saidul Islam Sanaollah : Saidul Islam Sanaollah
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন

ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন ফাঁসির আসামি আবুল কালাম আজাদ

নকী টিভি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১২ বার দেখা হয়েছে
Oplus_16908288

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেছেন।

বুধবার সকালে তিনি ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করার আবেদন জমা দেন বলে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম জানান।

তবে শুনানি না হওয়ায় তিনি আবেদন জমা দিয়ে ট্রাইব্যুনাল থেকে চলে যান বলে প্রসিকিউশনের কর্মকর্তারা জানান।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর পর ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম রায়ে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক রুকন আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ১৪ জনকে হত্যা, তিন নারীকে ধর্ষণ, ৯ জনকে অপহরণ, ১০ জনকে আটক রাখা, পাঁচ বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ১৫টি বাড়ির মালামাল লুণ্ঠনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

আটটি অভিযোগের মধ্যে সাতটিতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেয় বিচারপতি ওবায়দুল হাসান নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

আজাদ মামলার শুরু থেকেই পলাতক থাকায় রায়ের পর নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ পাননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন আইনজীবী ২০১৫ সালে বলেছিলেন, আযাদ পাকিস্তান জামায়াতের ‘শেল্টারে’ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে তারা খবর পেয়েছেন।

২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের

পতনের পর ২০২৫ সালের মার্চে পাকিস্তান হয়ে আযাদের দেশে ফেরার খবর আসে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে। এরপর তিনি সাজা স্থগিতের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন।

সেই আবেদনে তার দণ্ডাদেশ আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিল দায়েরের শর্তে এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়।

ট্রাইব্যুনালের ওই রায়ে বলা হয়, ১৯৪৭ সালের ৫ মার্চ ফরিদপুরের বড়খাড়দিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণকারী আবুল কালাম আযাদ রাজেন্দ্র কলেজে লেখাপড়া করেন। তিনি জামায়াতের তৎকালীন ছাত্রসংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।

আদালত বলে, একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে রাজাকার বাহিনী গঠনের আগ পর্যন্ত আযাদ পাকিস্তানি সেনাদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেন।

১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল তিনি ‘স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিগুলোর সঙ্গে একত্র হয়ে’ ফরিদপুরে পাকিস্তানি সেনাদের ‘অভ্যর্থনা’ জানান। আযাদ স্থানীয় রাজাকার বাহিনীর দায়িত্বে ছিলেন এবং আলবদর বাহিনীরও প্রধান ছিলেন।

পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে মিলে তিনি স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় ও স্বাধীনতার পক্ষের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ওপর নৃশংস নির্যাতন চালান বলে ট্রাইব্যুনালের রায়ে উঠে আসে।

পতনের পর ২০২৫ সালের মার্চে পাকিস্তান হয়ে আযাদের দেশে ফেরার খবর আসে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে। এরপর তিনি সাজা স্থগিতের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন।

 

পোস্টটি শেয়ার করুন

আরো নিউজ এই ক্যাটাগরির

© All rights reserved © 2019
Design Customized By Our Team