1. admin@shaplahd.tv : AdYJkU :
  2. admin@facfltd.com : facfltd :
  3. kmnhosain@shaplahd.tv : KmnHosain :
  4. naqeetv@gmail.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  5. Sanaollah@naqee.tv : Saidul Islam Sanaollah : Saidul Islam Sanaollah
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন

বরিশাল হালিমা খাতুন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

মোঃ সুজন সদর উপজেলা প্রতিনিধি বরিশাল
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৭ বার দেখা হয়েছে

বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যবসা শাখার শিক্ষক মাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় কথিত মামলার বাদী মোঃ সেকান্দার আলী,সাবেক প্রধান শিক্ষক এস এম ফখরুজ্জামান,বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম,শিক্ষিকা শেখ জেবুন্নেছা,ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সালের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচার গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারির আদেশ প্রধান করেছেন ২৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার।

৫ জনের মধ্যে মিথ্যা মামলার বাদী সেকান্দার আলী এবং মিথ্যা মামলায় সহযোগিতার জন্য সাবেক প্রধান শিক্ষক এস এম ফখরুজ্জামান,বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম,শিক্ষিকা শেখ জেবুন্নেছা,ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সালের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্টে সত্যতা পাওয়ায় ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ প্রদান করেন।

২০২৪ সালের ৬ মে হালিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ১৩ শিক্ষার্থী কথিত অভিযোগ এনে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়। এরপর ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হলে তারা একটি মিথ্যা ও বানোয়াট রিপোর্ট প্রদান করেন।এর পরে শিক্ষক মাইদুল ইসলামকে বরখাস্ত করেন প্রধান শিক্ষক।

শিক্ষক মাইদুলকে বরখাস্ত করেই থেমে থাকেননি স্কুলটির কোচিং বানিজ্যকারীরা।তারা এক শিক্ষার্থীর আত্মীয়কে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে ভুয়া একটি মামলা দায়ের করান। ট্রাইব্যুনাল মামলাটি পিবিআইতে তদন্তের জন্য প্রেরন করেন।পিবিআইর তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই বাশার তদন্ত রিপোর্টে মিথ্যা মামলা দায়েরকারী সেকান্দার আলীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট দাখিল করেন।পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনালে শিক্ষক মাইদুল ইসলাম পুনরায় তদন্তের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তদন্তের আদেশ প্রদান করেন। আদালতের আদেশ পেয়ে তদন্ত করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) উপমা ফারিসা।সম্প্রতি ট্রাইব্যুনালে ১৪ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত রিপোর্ট দাখিন করেন তিনি।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক তদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা শেষে উপরোক্ত আদেশ প্রদান করেন।

শিক্ষক মাইদুল ইসলাম বলেন,আমার বিরুদ্ধে সেকান্দার আলী মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেএবং মিথ্যা মামলার বাদিকে সহযোগিতা করেছেন সাবেক প্রধান শিক্ষক,সাবেক সভাপতি,বর্তমান ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকাও দুজন শিক্ষিকা।তিনি বলেন আমি কোচিং বানিজ্যের বিরোদীতা এবং স্কুলের কিছু ভিতরগত রাজনৈতিক বিষয়ে আমাকে বরখাস্ত ও মিথ্যা মামলা করেছে।

উল্লেখ্য,হালিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্সকদের হেনস্তা ও ঘায়েল করার জন্য ছাত্রীদের যৌন হয়রানীসহ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। শিক্ষক মাইদুলের মতই গনিতের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়েছিল।তিনিও আইনী লড়াইয়ে অভিযোগ মিথ্যা প্রমান করেছিলেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

আরো নিউজ এই ক্যাটাগরির

© All rights reserved © 2019
Design Customized By Our Team