1. admin@shaplahd.tv : AdYJkU :
  2. admin@facfltd.com : facfltd :
  3. kmnhosain@shaplahd.tv : KmnHosain :
  4. naqeetv@gmail.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  5. Sanaollah@naqee.tv : Saidul Islam Sanaollah : Saidul Islam Sanaollah
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন

রামিসাসহ নারী-শিশুদেরকে বর্বরতা রক্ষা করতে বিদ্যমান আইনে ব্যর্থতা প্রমানিত| অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমদ

নকী টিভি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬
  • ৩১৭ বার দেখা হয়েছে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমদ বলেছেন, গতকাল পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যার যে বিবরণ জানা যাচ্ছে তা ভয়াবহ ও বিভিষিকাময়। মানুষের প্রতি মানুষ এতো নির্মম হতে পারে তা কল্পনাও করা যায় না। এই ধরণের ঘটনা বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা না বরং প্রায়শই দেশের কোন না কোন প্রান্তে শিশুদের সাথে একই ধরনের অবর্বনীয় বর্বরতার ঘটনা ঘটছে। নারীদের সাথে ভয়াবহ নৃশংসতা হচ্ছে। সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হলো এই ধরণের ঘটনা বরাবরই বিচারের বাইরে থেকে যাচ্ছে। অপরাধীর শাস্তি হচ্ছে না। নিহত রামিসার বাবার আর্তনাদেও সেটা উঠে এসেছে।
তিনি আক্ষেপ করে বলছিলেন, “আমি কোন বিচার চাই নাই, আপনারা বিচার করেন না।” বিদ্যমান আইন ও বিচারের প্রতি এই গণঅনাস্থা বিদ্যমান আইন ও আইনি ব্যবস্থার ধারাবাহিক ব্যর্থতার প্রতিফলন। বিদ্যমান আইন ও আইনি ব্যবস্থা শিশুদেরকে বর্বরতার হাত থেকে রক্ষা করতে পারছে না। নারীদেরকে নৃশংসতা থেকে রক্ষা করতে পারছে না। তাই শিশু ও নারীদের বর্বরতার হাত থেকে রক্ষা করতে শরীয়াহ আইন বিকল্প হতে পারে। রাষ্ট্রকে শরীয়াহ আইন প্রয়োগের দিকে যেতে হবে।
আজ ২০ মে, বুধবার এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব উপর্যুক্ত মন্তব্য করেন। অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমদ বলেন, সুপ্রিম কোর্ট থেকে পাওয়া সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে ৯০টির বেশি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিচারাধীন মামলা ১ লাখ ৫১ হাজার ৩১৭টি। যার বড় একটা অংশ ধর্ষণের মামলা। এর অর্থ হলো, ধর্ষকরা শাস্তি পাচ্ছে না।
অথচ ৯০ দিনের মধ্যে মামলাগুলো শেষ করার কথা। বিদ্যমান আইনি ব্যবস্থায় মামলা ঝুলিয়ে রাখা, দীর্ঘসূত্রিতা, সাক্ষী ব্যবস্থাপনা ও আইনের দুর্বলতার কারণে বিদ্যমান আইনে অপরাধীর আদতে কোন শাস্তি হয় না। অবস্থার প্রেক্ষিতে আমাদের বলতেই হচ্ছে, পল্লবীর রামিসার প্রকৃত খুনি আদতে এই আইন ও আইনি ব্যবস্থা। তাই এই আইন বাদ দিতে হবে এবং শরীয়াহ আইনকে বিকল্প হিসেবে প্রয়োগ করা শুরু করতে হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

আরো নিউজ এই ক্যাটাগরির

© All rights reserved © 2019
Design Customized By Our Team