1. admin@shaplahd.tv : AdYJkU :
  2. admin@facfltd.com : facfltd :
  3. kmnhosain@shaplahd.tv : KmnHosain :
  4. naqeetv@gmail.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  5. Sanaollah@naqee.tv : Saidul Islam Sanaollah : Saidul Islam Sanaollah
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন

পঞ্চগড়-১: হারানো আসন উদ্ধারে তৎপর বিএনপি, ছাড় দিতে নারাজ সারজিস

নকী টিভি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০২ বার দেখা হয়েছে
Oplus_16908288

পঞ্চগড়-১ আসন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। একসময় বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসন পুনরুদ্ধার মরিয়া দলটি। বিপরীতে আসনটিতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে মাঠে সক্রিয় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলম। তাকে বিজয়ী করতে জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা দলগুলো জোর প্রচার চালাচ্ছে। ফলে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।

পঞ্চগড় সদর, আটোয়ারী ও তেঁতুলিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত পঞ্চগড়-১ আসন। ১৯৯১ সালে বিএনপির হয়ে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা গোলাম হাফিজ। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে টানা দুইবার সংসদ সদস্য হন ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আসনটি হাতছাড়া হয় বিএনপির।

এই আসন ছাড়তে নারাজ এনসিপির নেতা সারজিস আলম। ২০২৪ সালের কোটা বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে শেখ হাসিনা সরকারের পতন পর্যন্ত বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। বর্তমানে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক। নির্বাচনি জোটের কারণে ১১ দলের মনোনয়নে পঞ্চগড়-১ আসনে শাপলা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সারজিস আলম।

দীর্ঘ বিরতির পর হারানো আসন উদ্ধারে এবার বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকারের ছেলে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। তিনি এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ, প্রচার ও সভা-সমাবেশ করছেন। নওশাদ জমির বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক

যুবদল কর্মী মাসুম বলেন, এই আসনে বিএনপির ঐতিহ্য আছে। নওশাদ জমির একজন শিক্ষিত ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থী। সুষ্ঠু ভোট হলে মানুষ আবার ধানের শীষেই ভোট দেবে।

ছাত্রদল কর্মী হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, “নওশাদ জমিরের বাবা ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার একাধিকবার এখান থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার আমলে এ এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। সেসব কাজ মানুষ এখনো ভুলে যায়নি। সেই ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনতেই আমরা মাঠে নেমেছি। এখানে ধানের শীষের বিজয় হবেই।”

ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বলেন, আমি নির্বাচিত হলে পঞ্চগড়-১ আসনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব। তরুণদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। মানুষ যদি ভোটাধিকার ফিরে পায়, তাহলে এই আসনে বিএনপির বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।

জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক শিশির আসাদ বলেন, “সারজিস আলম আন্দোলনের নেতা। তিনি ক্ষমতার রাজনীতি নয়, মানুষের অধিকার নিয়ে রাজনীতি করেন। তরুণরা তার পাশে আছে। জনসমর্থন এবং জোটের শক্তি নিয়ে সারজিস আলম বিজয়ী হবেন ইনশাআল্লাহ।”

পঞ্চগড় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইকবাল হোসাইন বলেন, “এই আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী আমি ছিলাম। দীর্ঘ সময় ধরে মাঠ গুছিয়েছি। আমাদের যে সমর্থন ছিল, তাতে আমরা বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলাম। পরবর্তীতে জোটগত কারণে আমি সরে দাঁড়িয়েছি, এখন ১১ দলের প্রার্থী সারজিস আলম। একক জামায়াতের মনোনয়নে যদি আমরা বিজয়ের আশা করতে পারি, তাহলে এখন ১১ দল মিলে সারজিস আলমকে কেন বিজয়ী করতে পারব না। এখানে বিশাল ব্যবধানে সারজিস আলম জয়ী হবেন।”

সারজিস আলম বলেন, “আমি সংসদ সদস্য হতে চাই মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে। নির্বাচিত হলে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান অঙ্গীকার। পঞ্চগড়-১ আসনকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

আরো নিউজ এই ক্যাটাগরির

© All rights reserved © 2019
Design Customized By Our Team