আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় রাজনৈতিক শিবিরের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী ২০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়ের আগেই শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন বণ্টনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
আসন সমঝোতার খসড়া অনুযায়ী, পীর সাহেব চরমোনাইয়ের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ৪০টি আসন ছাড় দিচ্ছে জামায়াত। তবে দলটি আরও কিছু আসনের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি ৩০টি আসন পেতে যাচ্ছে বলে প্রায় নিশ্চিত হওয়া গেছে। অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে ১৫টি, খেলাফত মজলিসকে ৭টি এবং কর্নেল (অব.) অলি আহমদের দল এলডিপিকে ৭টি আসন ছাড় দেওয়া হতে পারে। এছাড়া এবি পার্টি ও বিডিপিকে প্রাথমিকভাবে ২টি করে আসন দেওয়ার কথা থাকলেও আলোচনা এখনো চলমান।
আসন বণ্টন নিয়ে জোটে এখনো কিছু অস্পষ্টতা ও মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু জানিয়েছেন, মাত্র ২-৩টি আসনে সমঝোতার প্রস্তাব তাদের জন্য আশাব্যঞ্জক নয় এবং তারা অন্তত ১০টি আসন দাবি করছেন। একইভাবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও ২৫-৩০টি আসন প্রত্যাশা করছে। জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন, প্রার্থীর জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা বিবেচনা করে শেষ মুহূর্তে দু-একটি আসন বাড়তে পারে। যদি সমঝোতা না হয়, তবে কিছু আসনে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ লড়াইয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বড় একটি ব্লকের নেতৃত্ব দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। এই জোটে রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এবি পার্টি, এলডিপি, এনসিপি এবং খেলাফত মজলিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ দলগুলো। প্রাথমিক আলোচনায় জামায়াত নিজের জন্য ১৯০টি আসন রেখে বাকি ১১০টি আসন শরিকদের মধ্যে বণ্টন করার পরিকল্পনা করেছে। যদিও অনেক দলই তাদের দাবিকৃত আসনের তুলনায় কম বরাদ্দ পাওয়ায় কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
আসন বণ্টন নিয়ে জোটে এখনো কিছু অস্পষ্টতা ও মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু জানিয়েছেন, মাত্র ২-৩টি আসনে সমঝোতার প্রস্তাব তাদের জন্য আশাব্যঞ্জক নয় এবং তারা অন্তত ১০টি আসন দাবি করছেন। একইভাবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও ২৫-৩০টি আসন প্রত্যাশা করছে। জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন, প্রার্থীর জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা বিবেচনা করে শেষ মুহূর্তে দু-একটি আসন বাড়তে পারে। যদি সমঝোতা না হয়, তবে কিছু আসনে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ লড়াইয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন, দু-একদিনের মধ্যেই দলগুলোর সাথে আলাদা বৈঠক শেষ হবে এবং চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। জোটের মূল লক্ষ্য হলো—প্রতিটি আসনে একজন অভিন্ন শক্তিশালী প্রার্থী রাখা, যাতে ভোট ভাগ না হয়। সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার পর অতিরিক্ত প্রার্থীরা ২০ জানুয়ারির মধ্যে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবেন।