1. admin@shaplahd.tv : AdYJkU :
  2. admin@facfltd.com : facfltd :
  3. kmnhosain@shaplahd.tv : KmnHosain :
  4. naqeetv@gmail.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  5. Sanaollah@naqee.tv : Saidul Islam Sanaollah : Saidul Islam Sanaollah
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় ছাত্রদল সভাপতিকে কুপিয়েছে যুবলীগের কর্মীরা, গ্রেপ্তার-১

মোঃ সুজন, সদর উপজেলা প্রতিনিধি বরিশাল
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ২৫৪ বার দেখা হয়েছে

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় চরাদি ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ফাহাদ খানকে (৩০) কুপিয়েছে যুবলীগের কর্মীরা। সোমবার (২ মার্চ) রাত ৯টার সময় চরাদি ইউনিয়নের হলতা গ্রামের সরদার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। আহত ফাহাদ খান উপজেলার চরাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি এবং কামাল হোসেন খানের ছেলে।

গুরুতর ফাহাদকে প্রথমে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

হাসপাতালে নেওয়ার পথে ফাহাদ খান স্বজনদের মাধ্যমে ১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তা দেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, চরাদি ইউনিয়নের মোশাররফ হোসেন পান্নু খানের ছেলে যুবলীগ কর্মী আরিফ খান, সুলতান খানের ছেলে কাজী রিয়াজ, ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম রানাসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাকে কুপিয়ে জখম করে।

ভিডিও বার্তায় ফাহাদ আরও দাবি করেন, হলতা বাজারে ডিস ব্যবসায়ীর কাছে ইউপি সদস্য রানাসহ কয়েকজন চাঁদা দাবি করেন। এ ঘটনায় তিনি প্রতিবাদ করেন এবং ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে থানায় গিয়ে তাকে মামলায় সহায়তা করেন। এছাড়াও যুবলীগ কর্মী আরিফ ও কাজী রিয়াজ এলাকায় মাদক ব্যবসায় সাথে জড়িত। বিভিন্ন সময় তিনি মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন। এসবের জের ধরে তার ওপর হামলা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারী যুবলীগের সন্ত্রাসীদের সাথে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি কেএম সোহেল রানার সুসম্পর্ক রয়েছে। তাকে কুপিয়ে জখম করার সাথে ওসির সম্পৃক্ততা রয়েছে। হামলায় তার মৃত্যু হলে উল্লিখিত ব্যক্তিদের সাথে ওসিও দায়ী থাকবেন বলে তিনি ভিডিওতে উল্লেখ করেন।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম রানার সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ছাত্রদল নেতা ফাহাদ খানকে কুপিয়ে জখমের ঘটনা তিনি জড়িত নয়। ঘটনার সময় তিনি বরিশালে অবস্থান করছিলেন। এছাড়া কয়েকদিন আগে তার নামে একটি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি তদন্ত করে ফাহাদকে কোপানোর ঘটনার সাথে জড়িত তোদের গ্রেফতারের দাবী জানান। অভিযুক্তদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

বাকেরগঞ্জ থানার ওসি কে এম সোহেল রানা বলেন, ডিস ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে গত সপ্তাহে একটি চাঁদাবাজি ও একটি অন্যান্য ধারায় দুটি মামলা হয়েছে। সেই ঘটনার ধারাবাহিকতায় ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। তিনি জানান, ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় কাজী রিয়াজ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

আরো নিউজ এই ক্যাটাগরির

© All rights reserved © 2019
Design Customized By Our Team