1. admin@shaplahd.tv : AdYJkU :
  2. admin@facfltd.com : facfltd :
  3. kmnhosain@shaplahd.tv : KmnHosain :
  4. naqeetv@gmail.com : Saidul Islam : Saidul Islam
  5. Sanaollah@naqee.tv : Saidul Islam Sanaollah : Saidul Islam Sanaollah
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন

বিআরটিসি চেয়ারম্যানের নির্দেশে মেজর জাহাঙ্গীর সাংবাদিক মোল্লা নাসির উপর সন্ত্রাসী হামলা করেন

নকী টিভি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৪৪ বার দেখা হয়েছে

বিআরটিসি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নির্দেশে প্রতিষ্ঠানের জিএম মেজর জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে “দৈনিক এই বাংলার” বিশেষ প্রতিনিধি মোল্লা নাছিরের উপর সন্ত্রাসী হামলা করেন। হামলার প্রতিবাদে পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন, তবে গত চারদিনেও অভিযোগটি তদন্তের নাম করে এখনো নথিভুক্ত করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা জানতে চাইলে সাংবাদিক নাছির জানান, মূলত সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র আমার উপর অতর্কিত হামলা করেন। তিনি বলেন, দূদকের একটি বিশ্বস্ত সুত্র থেকে বিআরটিসি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দেয়া অভিযোগ ও অন্যান্য ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে, সেই সুত্র ধরে বিআরটিসি চেয়ারম্যান মোঃ তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ শিরোনামে প্রতিবেদন তৈরী করেন।

বিভিন্ন অনলাইনে ও এই শিরোনামে সংবাদটি প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ার পর টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের। ১৯ ডিসেম্বর দুপুর ১.৩০ টার সময় “ভোজন রেস্তোরায়” বিআরটিসির লোকজন মোল্লা নাছিরকে ডেকে আনেন। তখন জনৈক হাসানও ভোজন রেস্তোরাঁয় ছিলন। একটু পরেই বিআরটিসি চেয়ারম্যানের নির্দেশে প্রতিষ্ঠানের জিএম (জেনারেল মেনেজার) মেজর জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পর পর ৩০/৩৫ জন সন্ত্রাস এসে শারীরিকভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় লাঞ্ছিত করেন সাংবাদিক মোল্লা নাছির কে।

তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, মেজর জাহাঙ্গীর, জিএম (কারিগরী), বিআরটিসির নেতৃত্বে তার সাথে আমজাদ হোসেন, জিএম একাউন্টস (উপ সচিব), মোঃ ফারুক হোসেন, ডিজিএম, আশরাফুল ইসলাম, ডিজিএম, জামসেদ আলী, ডিপো ম্যানেজার (বরিশাল), জাহাঙ্গীর হোসেন, তেজগাঁও ট্রেনিং সেন্টার, সজিব, ম্যানেজার, মিরপুর ডিপো, মোঃ মোশারফ হোসেন, ম্যানেজার, মতিঝিল ডিপো, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মোঃ মিজান, তাকমির, সাব ইন্সপেক্টর, পল্টন থানা গোয়েন্দা বিভাগ পরিচয় দানকারীসহ আরো মেজিস্ট্রেট পরিচয় দানকারী দুই ব্যাক্তি অনেকে আমাকে পুরানা পল্টন আজাদ এর গলীতে ভোজন রেস্তোরা থেকে উঠিয়ে “এই বাংলা” অফিসে নিয়ে যায়।

আমাকে তারা প্রথমে ভোজন রেস্তোরায় শারিরীকভাবে লাঞ্চিত করে। আমাকে রক্ষা করতে গিয়ে জনৈক মোঃ আবুল হাসানকেও কিলঘুষি মেরে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে এই বাংলা পত্রিকায় মেজর জাহাঙ্গীর ও আমজাদের নেতৃত্বে আমাকে জোর করে ভয় ভীতি দেখিয়ে আমার কাছ থেকে ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় খবর প্রকাশ না করার শর্তে “এই বাংলা” পত্রিকার প্যাডে একটি অঙ্গীকারনামা নেন এবং জনৈক আবুল হাসান আমাকে কোনো তথ্য সরবরাহ করেছে কিনা বার বার চাপ দিয়ে জিজ্ঞেস করলে তখন আমি তাদেরকে স্পষ্টভাবে বলি সকল তথ্য আমি দূদক থেকে সংগ্রহ করেছি।

মেজর জাহাঙ্গীর আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন এই বলেও শাসান র‍্যাবের সিও এবং র‍্যাব-৩ এর কমান্ডার তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। কোন কথা বললে পাখির মতো তুলে নিয়ে যাবে এবং বলে বেশি বাড়লে গায়েব করে ফেলবে। ভোজন রেস্তোরার সিসিটিভি ফুটেজে, আজাদ প্রোডাক্টস, মুক্তি ভবনের ফুটেজ ও এল মল্লিক কমপ্লেক্স এর সিসিটিভির ফুটেজ দুপুর ১.৩০-৩.০০ টার ফুটেজ দেখলে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

আরো নিউজ এই ক্যাটাগরির

© All rights reserved © 2019
Design Customized By Our Team