বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যারা হুমকি ও ভীতি প্রদর্শন করে, তারা সরাসরি অনিরাপত্তা, উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী। আমরা সতর্ক করছি, এ ধরনের আচরণে অটল থাকলে এর পরিণতি দৃশ্যমান হিসাবের বাইরেও যেতে পারে এবং এর দায়ভার হুমকিদাতাদের ওপরেই পড়বে।’
এক সপ্তাহ ধরে এসব প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণ ছিল। এ সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ও তার প্রশাসন প্রতিবাদকারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসে তাদের দাবি শোনেন।
তবে ৮ জানুয়ারি থেকে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। অর্থনৈতিক দাবিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া শান্তিপূর্ণ আন্দোলন বিদেশি মদদপুষ্ট দাঙ্গাবাজ ও নাশকতাকারীদের দ্বারা সহিংসতায় রূপ নেয়।
সশস্ত্র দাঙ্গাবাজরা দোকানপাট, ব্যাংক, বাসস্টেশন ও মসজিদসহ বিভিন্ন সরকারি ও জনসাধারণের স্থাপনায় হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে তারা বেশ কয়েকজন নিরাপত্তা সদস্যকে হত্যা করে ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো অস্ত্র ব্যবহার ও বিতরণ করেছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করেছে—এমন প্রমাণ তারা সংগ্রহ করেছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ এই সন্ত্রাসী ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করছে। এসব ঘটনায় বহু নিরাপত্তা সদস্যের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকও নিহত হয়েছেন।








