অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ইউনেস্কোর সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও সংস্থাটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিশ্বের সর্বস্তরের মানুষের কাছে ইউনেস্কোর কার্যক্রম তাদের নিজ নিজ ভাষায় পৌঁছে দেওয়া জরুরি। এ লক্ষ্যে মাতৃভাষা সংরক্ষণে একটি শক্তিশালী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি এবং তরুণ প্রজন্মকে এ উদ্যোগে সম্পৃক্ত করতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।
এ ছাড়া নির্বাহী পর্ষদের সভাপতি, কাতারের রাষ্ট্রদূত নাসের হিনজাব মাতৃভাষা সংরক্ষণে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার প্রশংসা করে এ বছরের আয়োজনের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।
এ ছাড়া নির্বাহী পর্ষদের সভাপতি, কাতারের রাষ্ট্রদূত নাসের হিনজাব মাতৃভাষা সংরক্ষণে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার প্রশংসা করে এ বছরের আয়োজনের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে ‘শান্তি ও টেকসই উন্নয়নে ভাষার ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে তাঞ্জানিয়ার সংস্কৃতিমন্ত্রী ও পূর্ব তিমুরের শিক্ষামন্ত্রী অংশ নেন। তাঞ্জানিয়ার মন্ত্রী তাঁর বক্তব্য নিজ মাতৃভাষা সোয়াহিলিতে প্রদান করেন।’
এ ছাড়া দক্ষিণ আমেরিকার ইনকা সম্প্রদায়ের
মাতৃভাষা কেচুয়া ভাষাবিদ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্পনের ভাষা গবেষক প্রফেসর ড্যামিয়েন ব্লাসি। আলোচকরা বক্তব্যের অংশবিশেষ নিজ নিজ মাতৃভাষায় উপস্থাপন করলে ইউনেস্কো প্রাঙ্গণে যেন বিশ্ব ভাষার এক জীবন্ত চিত্র ফুটে ওঠে।
দিবসটির শেষ পর্বে অনুষ্ঠিত হয় জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে বাংলাদেশের পাশাপাশি লুক্সেমবুর্গ, আজারবাইজান, মলদোভা, ইউক্রেন, শ্রীলঙ্কা, ব্রাজিল এবং প্যারিসভিত্তিক একটি বহুভাষাভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর লোকসংগীত উপস্থিত কূটনীতিক ও দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়।।
অনুষ্ঠানে প্রায় দুই শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন। বাংলা ভাষা এবং মাতৃভাষা সংরক্ষণে বাংলাদেশের নেতৃত্ব তাদের গর্বিত করেছে বলে অনুভূতি ব্যক্ত করেন তারা।